আরো দেড় লাখ টন ডিজেল আমদানির সিদ্ধান্ত
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা সচল রাখতে আরও দেড় লাখ টন পরিশোধিত ডিজেল আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। একইসঙ্গে ২৫ হাজার টন অকটেনও আমদানি করা হবে।
‘জরুরি চাহিদা পূরণের জন্য’ মঙ্গলবার ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এই জ্বালানি আমদানির নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয় বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এদিন আরও আড়াই লাখ টন ডিজেল এবং ২৫ হাজার টন অকটেন আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে অর্থ বিষয়ক সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। এটি ক্রয় সংক্রান্ত কমিটির পরবর্তী বৈঠকে উঠবে।
ইরান যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জ্বালানি তেল সরবরাহে চাপে পড়ে সরকার। বিভিন্ন উৎস থেকে জ্বালানি আমদানি করে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করলেও পেট্রোল পাম্পগুলোতে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে দীর্ঘ লাইন চোখে পড়ছে।
এসময়ে বিশ্বের জ্বালানি বাজারেও দাম বেড়ে যায়। সরকার প্রয়োজনে মে মাসে তেলের দাম বাড়ানোর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিল।
কিন্তু শনিবার সন্ধ্যায় হঠাৎ জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে সরকার। ডিজেলের দাম লিটারপ্রতি ১৫ টাকা বাড়িয়ে ১১৫ টাকা, অকটেনের দাম ২০ টাকা বাড়িয়ে ১৪০, পেট্রোলের দাম ১৯ টাকা বাড়িয়ে ১৩৫ এবং কেরোসিনের দাম লিটারপ্রতি ১৮ টাকা বাড়িয়ে ১৩০ টাকা করা হয়।
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশে ভোক্তা পর্যায়ে নতুন দাম ঠিক করা হয়েছে বলে ভাষ্য জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের।
ক্রয় সংক্রান্ত কমিটির বৈঠকে ৩০ কেজির তিন কোটি হেসিয়ান বস্তা কেনারও সিদ্ধান্ত নিয়েছে।