আ. লীগ নেতাকে গাছে বেধে নির্যাতন মামলায় বাবা-ছেলে গ্রেপ্তার
আওয়ামী লীগ নেতা জিতেন কান্তি গুহকে গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর করার ঘটনায় অভিযুক্ত ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ও তাঁর ছেলেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনা চট্টগ্রামের পটিয়ার।
গ্রেপ্তার হওয়া ইউপি চেয়ারম্যান হলেন বদরুদ্দিন মোহাম্মদ জসিম ওরফে বি এম জসিম (৫৬)। তার ছেলে মুসফিক উদ্দীন ওয়াসি (২৪)। আজ সকালে তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
পটিয়া থানা থেকে জানা যায়, সকালে তারা অভিযানে যান। তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর জন্য বি এম জসিম বাড়ির ছাদ থেকে লাফ দেন। তাতে পায়ে আঘাত পান তিনি। তাই তাকে গ্রেপ্তারের পর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে তাঁকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে তিনি সেখানে পুলিশ পাহারায় চিকিৎসাধীন।
বি এম জসিম হাইদগাঁও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। গত ডিসেম্বরে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে ইউপি নির্বাচন করায় তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।
নির্যাতনের শিকার জিতেন কান্তি গুহ হাইদগাঁও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা পূজা পরিষদ এবং হাইদগাঁও উচ্চবিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সাবেক সভাপতি।
জানা যায়, গতকাল শুক্রবার পূর্ব হাইদগাঁও গাউছিয়া কমিউনিটি সেন্টারের হাইদগাঁও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছিল। এদিন বিকেল তিনটার দিকে ইউপি চেয়ারম্যান বি এম জসিমসহ তাঁর পক্ষের লোকজন জিতেন কান্তি গুহকে গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন করেন। এসব ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
এদিন রাতেই জিতেন কান্তি গুহের ছোট ভাই তাপস কান্তি গুহ বাদী হয়ে একটি মামলা করেন। সেই মামলায় বি এম জসিমকে প্রধান আসামি আর তাঁর ছেলে মুসফিক উদ্দীন ওয়াসিকে দুই নম্বর আসামি করা হয়। মোট সাতজনকে আসামি করা হয়। বাকিরা অজ্ঞাত।