২০ এপ্রিলের আগে সিঙ্গাপুর ফ্লাইট অনিশ্চিত
প্রবাসী বাংলাদেশীদের গন্তব্যে পৌঁছাতে ১৭ এপ্রিল থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, ইউএস বাংলা, এয়ার অ্যারাবিয়াসহ সংশ্লিষ্ট বিদেশী এয়ারলাইন্সের বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনা শুরু হয়েছে।
সৌদি আরব, কাতারের দোহা, সিঙ্গাপুর, আমিরাতের আবুধাবী ও ওমানের মাস্কাটে (৫ দেশ) যাওয়ার জন্য ওই দিন থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, ইউএস বাংলাসহ অন্যান্য এয়ারলাইন্সের বিশেষ ফ্লাইট শুরু হয়। ফ্লাইট শুরুর প্রথম দিন ভোরে সৌদি আরবের রিয়াদগামী ফ্লাইটে বেধে যায় বিপত্তি। দেশটির কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে বিমান কর্তৃপক্ষ উড়োজাহাজ অবতরণের অনুমতি না পাওয়ায় ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেই ওই ফ্লাইটের শত শত যাত্রীকে অবর্ণনীয় দুর্ভোগে পড়তে হয়। একপর্যায়ে ফ্লাইটটি বাতিলের কথা জানালে তারা ক্ষোভে ফেটে পড়ে। বিমানবন্দরেই তারা করেন বিক্ষোভ। এ অবস্থায় শনিবার সৌদি আরবের জেদ্দা, রিয়াদ, দাম্মামসহ অন্য চার দেশ থেকে ল্যান্ডিং পারমিশন পাওয়ার কথা জানায় বিমান কর্তৃপক্ষ। তবে সিঙ্গাপুরের বিষয়ে কোনো কিছু জানানো হয়নি।
তবে সিঙ্গাপুরগামী ফ্লাইট না ছাড়ার কারণে এর কিছু যাত্রী বিমানবন্দরের বাইরে অবস্থান নেন। তারা ব্যানার হাতে দ্রুত দেশটিতে পাঠানোর জন্য সরকারসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে জোর দাবি জানান। তাদের বক্তব্য হচ্ছে, টিকিট কাটা হয়েছে, কোভিড ১৯ পরীক্ষাও সম্পন্ন হয়েছে। এখন ১৯ এপ্রিলের মধ্যে তারা যেতে না পারলে ভিসা জটিলতাসহ নানাবিধ সমস্যা দেখা দিতে পারে। আর যদি সিঙ্গাপুরের ফ্লাইট ছাড়া অনিশ্চিত হয় তাহলে তাদের ভবিষ্যৎ অন্ধকার হয়ে পড়বে বলে তারা আশঙ্কার কথা জানান সাংবাদিকদের।
সিঙ্গাপুরে শনি ও রোববার সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় বিমান কর্তৃপক্ষ ফ্লাইট পরিচালনার জন্য যে অনুমতির দরকার সেটির আবেদনই তারা করতে পারেননি। আজ সোমবার দেশটির সিভিল অ্যাভিয়েশনের কাছে ল্যান্ডিং অনুমতির জন্য আবেদন করা হবে। সে ক্ষেত্রে ২০ এপ্রিলের আগে ঢাকা-সিঙ্গাপুর রুটে বিমানের ফ্লাইট পরিচালনা করার কোনো সম্ভাবনা তারা দেখছেন না। এমন তথ্যই সিঙ্গাপুরে থাকা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কান্ট্রি ম্যানেজার এক ই-মেইল বার্তায় বিমান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন।