সোমবার ০৯ মার্চ ২০২৬, ফাল্গুন ২৫ ১৪৩২, ২০ রমজান ১৪৪৭

ব্রেকিং

জঙ্গল ছলিমপুরে ‘পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ’ প্রতিষ্ঠা হয়েছে, অস্ত্র উদ্ধার, আটক ১৫: ডিআইজি হাদি হত্যার আসামি ফেরাতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দুই প্রসিকিউটর নিয়োগ, একজনের পদত্যাগ ইরানের নতুন নেতা নিয়ে ‘খুশি নন’ ট্রাম্প, চীন বলছে ‘অভ্যন্তরীণ বিষয়’ ইরানি তেল স্থাপনায় ইসরায়েলি হামলায় ‘বিরক্ত, বিস্মিত’ যুক্তরাষ্ট্র দোহায় বিস্ফোরণ, উপসাগরীয় দেশেও নতুন হামলা মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ প্রশমনের আহ্বান চীনের বিশেষ দূতের বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল বৈরুতের দক্ষিণ উপশহর : এএফপি মোজতবা খামেনি: ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা জঙ্গল সলিমপুরে যৌথবাহিনীর অভিযান মাদারীপুরে টর্চ লাইট জ্বালিয়ে ৪ ঘণ্টা ধরে সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমার বিস্ফোরণ পিতার মত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হলেন মুজতাবা খামেনি ইরানি হামলায় ইসরায়েলে ১৩ জন নিহত, প্রায় ২০০০ জন আহত ইরানে ৬৫ স্কুল ও ৩২ চিকিৎসাকেন্দ্র হামলার শিকার: রেড ক্রিসেন্ট

ইসলাম

মহররম মাসের কোন কোন দিন রোজা রাখবো?

 প্রকাশিত: ১১:৫৬, ২৫ জুলাই ২০২৩

মহররম মাসের কোন কোন দিন রোজা রাখবো?

প্রশ্নঃ ৩৬৭২০. আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, মোহররম মাসের কোন কোন দিন রোজা রাখবো আর রোজা রাখলে রোজার ফযিলত কি?

উত্তর:
و علَيْــــــــــــــــــــكُم السلام ورحمة الله وبركاته

بسم الله الرحمن الرحيم

সাধারনভাবে মহররম মাসে অধিকহারে রোজা রাখার প্রতি উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে। আবু হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,

أَفْضَلُ الصِّيَامِ، بَعْدَ رَمَضَانَ، شَهْرُ اللهِ الْمُحَرّمُ

রমজানের পর সবচেয়ে উত্তম রোজা হলো আল্লাহর মাস মহররমের রোজা। (সহিহ মুসলিম ১১৬৩)

আর বিশেষ ফজিলত বর্ণিত হয়েছে কেবল আশুরা তথা মহররমের দশম তারিখের রোজার বিষয়ে। আবু কাতাদাহ রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,

صيام يوم عاشوراء، إني أحتسب على الله أن يكفر السنة التي قبله

আশুরার দিনের রোজার ব্যাপারে আমি আল্লাহর কাছে আশা করি, তিনি পূর্ববর্তী এক বছরের গোনাহ ক্ষমা করে দেবেন। (মুসলিম ১৯৭৬)

আর আশুরার সাথে তাসুআ তথা মহররমের নয় তারিখের রোজা রাখাও মুস্তাহাব। কেননা, আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস রাযি. বর্ণনা করেন,

حِينَ صَامَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ يَوْمَ عَاشُورَاءَ وَأَمَرَ بِصِيَامِهِ قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنَّهُ يَوْمٌ تُعَظِّمُهُ الْيَهُودُ وَالنَّصَارَى، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ “فَإِذَا كَانَ الْعَامُ الْمُقْبِلُ إِنْ شَاءَ اللَّهُ صُمْنَا الْيَوْمَ التَّاسِعَ”. قَالَ فَلَمْ يَأْتِ الْعَامُ الْمُقْبِلُ حَتَّى تُوُفِّيَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ

যখন রাসূলুল্লাহ ﷺ আশুরার রোজা রাখলেন এবং (অন্যদেরকে) রোজা রাখার নির্দেশ দিলেন। লোকেরা বলল, হে আল্লাহর রাসূল! এটিতো এমন দিন, যাকে ইহুদি ও খ্রিষ্টানরা বড় জ্ঞান করে, সম্মান জানায়। তখন রাসূলুল্লাহ ﷺ বললেন, আগামী বছর এদিন আসলে, আমরা নবম দিনও রোজা রাখব ইনশাল্লাহ। বর্ণনাকারী বলছেন, আগামী বছর আসার পূর্বেই রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর ওফাত হয়ে গিয়েছে। ( মুসলিম ১৯৪৬)

والله اعلم بالصواب

উত্তর দিয়েছেনঃ শাইখ উমায়ের কোব্বাদী

মুসলিম বাংলা