শনিবার ২৯ নভেম্বর ২০২৫, অগ্রাহায়ণ ১৫ ১৪৩২, ০৮ জমাদিউস সানি ১৪৪৭

ব্রেকিং

খালেদা জিয়া বিদেশে নেওয়ার মতো অবস্থায় নেই: মির্জা ফখরুল তারেক রহমানের দেশে ফেরায় সরকারের ‘কোনো বাধা নেই’: প্রেস সচিব “ঢাকায় উবারের ভাড়া জালিয়াতি অভিযোগে ভোক্তা অধিদপ্তরের তদন্ত, গ্রাহক ক্ষোভ চরমে” ‘খালেদা জিয়ার জন্য প্রস্তুত এয়ার অ্যাম্বুলেন্স, অবস্থা বুঝে পরবর্তী সিদ্ধান্ত’ সারাদেশে ‘রোড শো’র পর বিজয় দিবসে ঢাকায় মহাসমাবেশ করবে বিএনপি ভূমিকম্প: বন্ধের ৮ দিনের মাথায় ঢাবিতে অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত ঘূর্ণিঝড় ডিটওয়ায় বিপর্যয়, শ্রীলঙ্কায় জরুরি অবস্থা জারি কক্সবাজারে র‍্যাব-১৫ এর সব কর্মকর্তা-কর্মচারী একযোগে প্রত্যাহার ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে তফসিল: সিইসি দেশে ফেরার ‘একক সিদ্ধান্ত গ্রহণের’ সুযোগ দেখছেন না তারেক সালথায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ১০০ বই-ব্যাগ ছাড়াই স্কুলে ফিরছে গাজার শিশুরা ইস্তাম্বুলে বিক্ষোভ মামলায় তুরস্কে ৮৭ জনকে খালাস

রাজনীতি

অর্থনীতির সঙ্গে রাজনীতির পথরেখাও ‘স্থিতিশীল হতে হবে`: ফখরুল

 প্রকাশিত: ১৬:৪৭, ২৯ নভেম্বর ২০২৫

অর্থনীতির সঙ্গে রাজনীতির পথরেখাও ‘স্থিতিশীল হতে হবে`: ফখরুল

দেশের অর্থনীতির পথরেখার সঙ্গে রাজনীতির 'পথরেখাটা স্থিতিশীল হতে হবে' বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, “ভবিষ্যৎ পথরেখায় শুধু অর্থনীতির এটাতে, শুধু অর্থনীতির পথরেখা হলেই হবে না। সঙ্গে রাজনীতির পথরেখাটাকেও কিন্তু আপনার স্টেবল হতে হবে।

“তাতে (রাজনীতির পথরেখা) স্থিতিশীলতা থাকতে হবে। তার একটা স্থায়ীত্ব থাকতে হবে।”

শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে চতুর্থ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্মেলনে কথা বলছিলেন ফখরুল।

রাজনীতির পথরেখা স্থিতিশীল রাখার লক্ষে বিএনপি ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে জানিয়ে ফখরুল বলেন, “আমরা আপনার এই যে রিফর্মগুলো করেছি, চার্টারে সই করেছি, ঘোষণাপত্র সই করেছি। এবং একটা জিনিস আমি খুব পরিষ্কার করে আপনাদের সামনে বলতে চাই, যে বিষয়গুলো আমরা সই করেছি, রিফর্মের যে প্রস্তাবগুলো এসেছিল- এ সব কিন্তু আমরা অনেক আগেই দিয়েছি।

“আমরা ২০১৬ সালে আমাদের নেত্রী দেশনেত্রী খালেদা জিয়া এফিশিয়েন্টলি দিয়েছিলেন। আজকের যে বিষয়গুলোতে আমরা একমত হয়েছি তার অনেকগুলো বিষয় সেখানে কিন্তু ছিল।”

একই সঙ্গে দলটির ৩১ দফায়ও 'ইকোনমিক রিফর্ম, পলিটিক্যাল রিফর্ম প্রায় সবগুলো রয়েছে' বলেও ভাষ্য তার।

বিএনপি ক্ষমতায় এলে কী করবে তা তুলে ধরে মির্জা ফখরুল, “আমাদের খুব বেশি লক্ষ্য করা দরকার যেটা আমরা ইতিমধ্যে আমরা চিন্তা করেছি, সেটা হচ্ছে স্বাস্থ্য খাতে আমাদের অনেক বেশি কাজ করা দরকার।

“একই সঙ্গে যে বিষয়টা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন, সেটা হচ্ছে শিক্ষা খাতকে আমূল পরিবর্তন করতে হবে। আমাদের জনগণের উন্নয়নের উপযোগী করার জন্য সবচেয়ে বেশি শিক্ষাকে ঢেলে সাজানো দরকার। এই বিষয়গুলোতে আমরা ইতিমধ্যেই চিন্তা করেছি।”

এজন্য রাজনৈতিক পথরেখায় 'স্থায়ীত্বও 'স্থিতিশীলতা' জরুরি বলে তিনি তুলে ধরে বলেন, “সামগ্রিকভাবে আমরা বাংলাদেশকে সবসময়ই আমরা একটা নতুন বাংলাদেশ শুধু নয়, আমরা একটা সমৃদ্ধ বাংলাদেশ হিসেবে দেখতে চাই।

“একটা দেশ যেখানে সব মানুষ তারা অন্তত একটা বেটার লিভিংয়ে থাকবে, ভালো অবস্থায় থাকবে এবং একটা ভালো গভর্নেন্সের মধ্যে থাকবে। এবং ডেমোক্রেসিকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেবে। এই বিষয়টা আমরা দেখতে চাই।”