ব্রেকিং:
আগামীকাল থেকে সাত জেলায় কঠোর লকডাউন মালয়েশিয়ায় ১০২ বাংলাদেশি আটক ভোলায় ইউপি নির্বাচনে দুপক্ষের সংঘর্ষ, গুলিতে ১ জন নিহত কোভ্যাক্সের ১০ লাখ টিকা আসবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী চলমান বিধিনিষেধ আরো এক মাস বাড়ল আগামী জুলাইয়েও খুলছে না শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আজ রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে, আটক ৪৪

মঙ্গলবার   ২২ জুন ২০২১,   আষাঢ় ৮ ১৪২৮,   ১১ জ্বিলকদ ১৪৪২

সর্বশেষ:
৪০ মণ ওজনের ‘বীর বাহাদুর’ দেখতে জনতার ভিড় বৃষ্টিপাত কমে বাড়তে পারে তাপমাত্রা ভারতে যৌথবাহিনীর সাথে জঙ্গিগোষ্ঠীর সংঘর্ষ, নিহত ৩ রাজধানীর তিন কেন্দ্রে শুরু হয়েছে টিকাদান কার্যক্রম আবারো কোরোনায় বাতিল হচ্ছে চার পাবলিক পরীক্ষা শত শত বাংলাদেশী লিবিয়ার ডিটেনশন ক্যাম্পে বন্দী কুষ্টিয়ায় সাত দিনের কঠোর লকডাউন ঘোষণা আজ শুরু হচ্ছে ফাইজারের টিকাদান কর্মসূচি ফিলিস্তিনিদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় শিগগিরি স্বাধীন হবে আল-আকসা চোরাই পথে খালাস হয়ে গেল বিটুমিনের একটি জাহাজ। পদ্মা সেতুতে রেলওয়ে স্লাব বসানোর কাজ সম্পন্ন ইন্দোনেশিয়ায় টিকা নিলেই মুরগি ফ্রি! সিঙ্গাপুরে সিনোভ্যাক টিকার ব্যাপক চাহিদা অযোধ্যার রাম মন্দির নিয়ে হিন্দু মহলে বিভক্তি
৭৭

৫ বছরে অর্থ পাচারের ১০২৪টি ঘটনার প্রমাণ পেয়েছে বিএফআইইউ

প্রকাশিত: ৮ জুন ২০২১  

বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) গেল পাঁচ বছরে বিদেশে অর্থ পাচারের ১ হাজার ২৪টি ঘটনা ঘটেছে বলে প্রমাণ পেয়েছে। এর মধ্যে ২০১৭-১৮ অর্থবছরেই ঘটেছে অর্ধেকের বেশি অর্থ পাচারের ঘটনা।

এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে চিঠি পাঠিয়েছে বিএফআইইউ।

বিএফআইইউর প্রতিবেদন মতে, ২০১৯-২০ অর্থবছরে ১১৬টি অর্থ পাচারের ঘটনা ঘটেছে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৫২টি, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ৬৭৭টি, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ১২১টি ও ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ৫৮টি অর্থ পাচারের ঘটনা ঘটেছে।

১ হাজার ২৪টি অর্থ পাচারের ঘটনার অর্ধেকই বিদেশে অর্থ পাচার করেছে।  এর বাইরে গত পাঁচ অর্থবছরে ২ হাজার ২৯০টি অর্থ পাচারের ঘটনার তথ্য সরবরাহ করেছে সরকারের বিভিন্ন সংস্থা।

এ বিষয়ে বিএফআইইউ প্রধান আবু হেনা মোহাম্মদ রাজী হাসান বলেন, অর্থ পাচারের অনেকগুলো মামলার বিচার কাজ চলছে। বিচার কাজ শেষ না হলে কেউ শাস্তির আওতায় আসবে না।

বিএফআইইউ সূত্র জানায়, অর্থ পাচারের ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ, বাংলাদেশ পুলিশ, দুর্নীতি দমন কমিশন ও বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে পাচারকারীদের দেশের বাইরে কোথায় কী পরিমাণ সম্পদ, বাড়ি, গাড়ি, ফ্ল্যাট ও বিনিয়োগ আছে তার বিবরণ দেওয়া হয়েছে।

দেশে কার্যত ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বিমা কোম্পানি ও মানি একচেঞ্জ প্রতিষ্ঠানগুলো প্রতিমাসে সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটকে দিয়ে থাকে।


এই বিভাগের আরো খবর