ব্রেকিং:
করোনায় ৩৬ লাখ পরিবার পাবে প্রধানমন্ত্রীর `ঈদ উপহার` বিশ্বে কোভিড -১৯(করোনা ভাইরাসে) প্রায় ৩০ লাখ মানুষের মৃত্যু। সাবেক মন্ত্রী আব্দুল মতিন খসরুকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন আব্দুল মতিন খসরুর জানাজা সম্পন্ন, বাদ আসর দাফন কারিগরির আকস্মিক দুর্বিপাকে আন্তঃব্যাংক চেক লেনদেন বন্ধ সাবেক আইনমন্ত্রী আব্দুল মতিন খসরুর দ্বিতীয় জানাজা সম্পন্ন ভারতে ৫ কোটি স্পুটনিক টিকা সরবরাহ করবে রাশিয়া বিপজ্জনক মোড় নিচ্ছে ইরান ও ইসরায়েলের ছায়াযুদ্ধ টিকা কিনতে বাংলাদেশ-বিশ্বব্যাংকের ঋণচুক্তি সই

শনিবার   ১৭ এপ্রিল ২০২১,   বৈশাখ ৪ ১৪২৮,   ০৪ রমজান ১৪৪২

সর্বশেষ:
প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য শনিবার থেকে বিশেষ ফ্লাইট চালু
৫০৬

১১ নির্দেশনা দিয়ে লকডাউনের প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার

প্রকাশিত: ৪ এপ্রিল ২০২১  

১১ নির্দেশনা দিয়ে টানা সাতদিন লকডাউনের প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। রবিবার সরকারের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এ প্রজ্ঞাপন জারি করে। প্রজ্ঞাপনে নির্দেশিত ১১টি নির্দেশনা না মানলে  আইনে ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলা হয়েছে।
জারি করা প্রজ্ঞাপনে ১১টি নির্দেশনা রয়েছে। নির্দেশনাগুলো নিম্নরূপ:-

১. সবপ্রকার গণপরিবহন (সড়ক, নৌ, রেল ও অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে। তবে পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা, জরুরি সেবাদানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না। এছাড়া বিদেশগামী বা বিদেশফেরত ব্যক্তির ক্ষেত্রে এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে না। 

২. আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিষেবা, যেমন-ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, বিদ্যুৎ পানি, গ্যাস বা জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরসমূহ (স্থলবন্দর, নদীবন্দর, ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট, ডাকসেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বহির্ভূত থাকবে।

৩. সব সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত অফিস ও আদালত এবং বেসরকারি অফিস কেবল জরুরি কাজ সম্পাদনের জন্য সীমিত পরিসরে প্রয়োজনীয় জনবলকে স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থাপনায় অফিসে আনা-নেয়া করতে পারবে। শিল্প-কারখানা ও নির্মাণ কার্যাদি চালু থাকবে। শিল্প-কারখানার শ্রমিকদের স্ব স্ব প্রতিষ্ঠান কর্তৃক নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থাপনায় আনা-নেয়া করতে হবে। বিজিএমইএ ও বিকেএমই কর্তৃক শিল্প-কারখানা এলাকায় নিকটবর্তী সুবিধাজনক স্থানে তাদের শ্রমিকদের জন্য ফিল্ড হাসপাতাল বা চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে।

৪. সন্ধ্যা ৬টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত অতি জরুরি প্রয়োজন ব্যতীত (ঔষধ ও নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন বা সৎকার ইত্যাদি) কোনোভাবেই বাড়ির বাইরে বের হওয়া যাবে না।
 
৫.খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় কেবল খাদ্য বিক্রয় বা সরবরাহ (Takeway/Online) করা যাবে। কোনো অবস্থাতেই হোটেল-রেস্তোরাঁয় বসে খাবার গ্রহণ করা যাবে না। 

৬. শপিংমলসহ অন্যান্য দোকানসমূহ বন্ধ থাকবে। তবে দোকানসমূহ পাইকারি ও খুচরা পণ্য অনলাইনের মাধ্যমে ক্রয়-বিক্রয় করতে পারবে। সেক্ষেত্রে অবশ্যই সর্বাবস্থায় কর্মচারীদের মধ্যে আবশ্যিক স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে এবং কোনো ক্রেতা সশরীরে যেতে পাবে না। 

৭. কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে। বাজার কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি নিশ্চিত করবে।

৮. ব্যাংকিং ব্যবস্থা সীমিত পরিসরে চালু রাখার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবে।

৯. সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ ঢাকায় সুবিধাজনক স্থানে ফিল্ড হাসপাতাল স্থাপনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

১০. সারাদেশে জেলা ও মাঠ প্রশাসনের উল্লিখিত নির্দেশনা বাস্তবায়নের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়মিত টহল জোরদার করবে।

১১. এ আদেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


অনলাইন নিউজ পোর্টাল
অনলাইন নিউজ পোর্টাল
এই বিভাগের আরো খবর