ব্রেকিং:
বিক্ষোভের মুখে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কিছুক্ষণ সময় লুকিয়ে ছিলেন বাঙ্কারে ‘আমেরিকান স্প্রিং‘ এ সরগরম চীনা সোশ্যাল মিডিয়া স্বাস্থ্যবিধি মেনে মাদরাসায় ভর্তি শুরু করতে কোনো বাঁধা নেই: হাইয়াতুল উলইয়া

বুধবার   ০৩ জুন ২০২০,   জ্যৈষ্ঠ ২০ ১৪২৭,   ১০ শাওয়াল ১৪৪১

সর্বশেষ:
রেড অ্যালার্ট: মুম্বাইয়ের দিকে ধেয়ে যাচ্ছে ঘূর্ণিঝড় নিসর্গ করোনার মধ্যেই ইবোলার প্রাদুর্ভাব: কঙ্গোতে চারজনের মৃত্যু করোনায় মৃতের সংখ্যা ৩ লাখ ৭৭ হাজার ছাড়ালো
২৮

দেশের অভ্যন্তরেও মহাবিপদ সংকেত

প্রকাশিত: ২০ মে ২০২০  

আবহাওয়া অধিদফতর নদীবন্দরের সতর্কবার্তায় জানিয়েছে, যশাের, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর এবং মাদারীপুর অঞ্চলসমূহের ওপর দিয়ে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৮৯ কিমি অথবা তারও অধিক বেগে বৃষ্টি/বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। তাই এসব এলাকার নদীবন্দরসমূহকে ৪ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

এছাড়া দেশের অন্যান্য অঞ্চলসমূহের ওপর দিয়ে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০-৮০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি/বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা/ ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। তাই এসব এলাকার নদীবন্দরসমূহকে ২ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

নদীবন্দরের জন্য চার নম্বর মহাবিপদ সংকেতই হচ্ছে চূড়ান্ত সতকর্তা। দুই নম্বর নৌ-হুঁশিয়ারি সংকেত দিয়ে বোঝানো হয়-বন্দর এলাকায় নিম্নচাপের সমতুল্য তীব্রতার একটি ঝড় বা একটি কালবৈশাখী ঝড়। এর গতিবেগ ঘণ্টায় অনুর্ধ্ব ৬১ কিলোমিটার। নৌ-যান এদের কোনোটির কবলে নিপতিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ৬৫ ফুট বা তার কম দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট নৌ-যানকে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে হবে।

আর চার নম্বর নৌ-মহাবিপদ সংকেত দিয়ে বোঝানো হয়-বন্দর এলাকা একটি প্রচণ্ড বা সর্বোচ্চ তীব্রতার সামুদ্রিক ঝড়ে কবলিত এবং বন্দর এলাকায় সহসাই আঘাত হানবে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কিলোমিটার তদুর্ধ। এ সময় সব ধরনের নৌ-যানকে নিরাপদ আশ্রয় থাকতে হবে।

এদিকে আম্পানের তীব্রতার কারণে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরে ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেত এবং মোংলা-পায়রা সমুদ্রবন্দরে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেত বলতে বোঝানো হয়- বন্দর প্রচণ্ড বা সর্বোচ্চ তীব্রতর এক সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়বে। এ সময় ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কিমি বা এর বেশি হওয়ার শঙ্কা রয়েছে।

আর ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দিয়ে বোঝানো হয়- বন্দর প্রচণ্ড বা সর্বোচ্চ তীব্রতর এক সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়বে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কিমি বা তার বেশি হতে পারে।

ঘূর্ণিঝড় আম্পান বুধবার বিকেল/সন্ধ্যা নাগাদ পশ্চিমবঙ্গের দীঘা এবং বাংলাদেশের হাতিয়ার মাঝামাঝি কোনো স্থান দিয়ে উপকূলে ওঠে আসতে পারে। এ সময় বাতাসের গতিবেগ থাকতে পারে ঘণ্টায় ১৪০ থেকে ১৬০ কিমি।


বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
এই বিভাগের আরো খবর