ব্রেকিং:
সংরক্ষিত নারী আসনের ভোট ৪ মার্চ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নির্বাচন উপলক্ষে ১৮ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন.

মঙ্গলবার   ১৫ অক্টোবর ২০১৯   আশ্বিন ২৯ ১৪২৬  

সর্বশেষ:
সংরক্ষিত নারী আসনের ভোট ৪ মার্চ ওয়েজবোর্ডের বিষয়টিকে আমরা বিশেষভাবে গুরুত্ব দিচ্ছি
২০০

চয়েস ইজ ইউরস এই আলোটা নিভতে দেবেন না...

প্রকাশিত: ২৭ ডিসেম্বর ২০১৮  

ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদী, বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ নিয়মিত ফোন করে বেগম খালেদা জিয়ার খোঁজ খবর নিচ্ছেন। দুজন মার্কিন কংগ্রেসম্যান বেগম জিয়া এবং তারেক জিয়ার মুক্তি চেয়ে বিবৃতি দিয়েছেন। এসব ভ্রান্ত, বানোয়াট, মিথ্যা গুজব প্রচার করে জাতির কাছে তিনি আগেই পরিচিতি লাভ করেছেন।

মাত্র কয়েক মাস আগে তিনি বললেন আমি নিউইয়র্ক যাচ্ছি জাতিসংঘ মহাসচিবের আমন্ত্রণে। এই কথা শুনে জাতিসংঘ মহাসচিব এন্টনি গুতেরেস বিবৃতি দিয়ে বললেন ব্যাপারটা হাইস্যকর, বাংলাদেশ থেকে আমি কাউকে আমন্ত্রণ জানাইনি, এই মুহুর্তে আমি আফ্রিকার দেশ ঘানা সফরে আছি!

এবার তিনি বললেন যুবক বয়সে আমরা ৭১ সালে যুদ্ধ করেছি। এখানে একটা শুভঙ্করের ফাঁকি আছে। উনি সরাসরি যুদ্ধ করেছেন এ কথা জোর দিয়ে না বলে বলেছেন “আমরা” যখন যুদ্ধে গিয়েছিলাম! উনি যদি সত্যিই যুদ্ধ করতেন তাহলে গলায় জোর নিয়ে বলতেন যে আমি যখন যুদ্ধে গিয়েছিলাম! সেটা না বলে তিনি বলেছেন আমরা যখন যৌবনে যুদ্ধে গিয়েছিলাম।

আবার কৌশলে পাকবাহিনী-হানাদার বাহিনী উল্লেখ না করে বলেছে পাঞ্জাবিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছি! পাঞ্জাব ভারতের একটি প্রদেশ। পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে যুদ্ধ মানে ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা। কিন্তু ১৯৭১ সালে যুদ্ধটা ছিল পাকিস্তানীদের বিরুদ্ধে। বাংলাদেশ ভারত ছিল যৌথবাহিনী। বাংলাদেশ ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছে পাক হানাদার আর রাজাকাররা! উনার বক্তব্যই প্রমাণ করে দিচ্ছে উনি সেদিন ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছেন...

তার দাবি অনুসারে তিনি মুক্তিযোদ্ধা। কিন্তু তার বাবা মির্জা রুহুল আমিন ছিলেন রাজাকারের তালিকায় ৭১০ নম্বর রাজাকার। ১৯৭২ সালে দালাল আইনে গ্রেপ্তার হয় তার বাবা। বাবা রাজাকার, ছেলে মুক্তিযোদ্ধা! অবিশ্বাস্য! এটাও যে মোদী-অমিত শাহের ফোন কল কিংবা জাতিসংঘ মহাসচিবের সাথে চা নাস্তা খাওয়ার গল্পের মত ধাপ্পাবাজি না গ্যারান্টি কী?

মির্জা ফখরুল ইসলাম সাহেবের রাজনৈতিক জীবন খুবই বর্ণাঢ্য। এক সময় ছাত্র ইউনিয়নের নেতা ছিলেন। ছিলেন প্রবল মার্ক্সবাদী। বিশ্বাস করতেন মার্ক্সের দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদে যেখানে ইশ্বর, ভগবান, আল্লাহ, খোদা, আত্নার কোন স্থান নেই। উনার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার অনেকটা ভারতীয় বস্তুবাদী দর্শন চার্বাকদের মত। চার্বাকরা নাকি বলতেন “ঋণং কৃত্বা ঘৃতং পিবেৎ, যাবৎ জীবেৎ, সুখং জীবেৎ” অর্থাৎ ঋণ করিয়া হইলেও ঘি খাও, যতদিন বাঁচো সুখে বাঁচো...

ঋন করিয়া ঘি খাওয়ার অভ্যাস ফখরুল সাহেবদের বহু পুরানো। সেই ১৯৯১ সালের নির্বাচনেই পাকিস্তানী গোয়েন্দা সংস্থা ISI থেকে ৫ কোটি টাকা নিয়ে নির্বাচন করেছিল উনার দল। আর এখন ভুয়া মুক্তিযুদ্ধের গল্প, মোদীর ফোন, অমিত শাহর ই-মেইল, জাতিসংঘ মহাসচিবের চা-নাস্তার দাওয়াতের কথা বলে ঘি খাওয়ার পুরানো অভ্যাসটা ছাড়তে চান না।

ভিডিওতে ফখরুল সাহেব গণতন্ত্রের জন্য মায়াকান্না করেছেন। যা একেবারে বেমানান। তিনি যেই দলের প্রতিনিধিত্ব করছেন সেই দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান কীভাবে বন্দুকের নল দিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করেছিল সেই কথা তিনি নতুন প্রজন্মকে বলেননি?

বিচারপতি সায়েমকে জোর করে রাষ্ট্রপতি পদ থেকে সরিয়ে দিয়ে জিয়াউর রহমান নিজেই রাষ্ট্রপতির চেয়ারে বসে পড়েন বিনা নির্বাচনে। সেই সময় জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রপ্রধান, সেনাপ্রধান এবং সরকার প্রধান ছিলেন। একজন ব্যক্তি একই সাথে কীভাবে রাষ্ট্রের প্রধানমন্ত্রী, প্রেসিডেন্ট, সেনাপ্রধান থাকতে পারে সে কথা ফখরুল সাহেব ভিডিওতে উল্লেখ করেননি! ক্ষমতায় গিয়ে জিয়াউর রহমান নিজেই নিজেকে জেনারেল ঘোষণা করে, নিজ স্বাক্ষরে নিজেকে জেনারেল হিসেবে প্রমোশন দেন। গণতন্ত্রের জনক এরিস্টটলের মৃত আত্না সেদিন এই দৃশ্য দেখে হু হু করে কেঁদে উঠেছিল! চিন্তা করে দেখেন কতটা ফ্যাসিস্ট ছিল সেই রাষ্ট্রব্যবস্থা!

পরবর্তীতে জিয়াউর রহমান ১৯৭৭ সালে গণভোটের আয়োজন করেন। সেই গণভোটে জিয়াউর রহমান ৯৮.৯৭ ভাগ ভোট পান। ব্যাপারটা দেশে এবং বিদেশে কেউ বিশ্বাস করেনি। গণভোটের পর জিয়াউর রহমান সেই সময় কমনওয়েলথ হেড অব স্টেটসের মিটিংয়ে যান। সেই সময় ম্যানচেস্টার গার্ডিয়ান পত্রিকা লিখে দিল, জিয়াউর রহমান গণভোটে যা ভোট পেয়েছে তা হিসেব করলে দেখা যায় প্রতি ৪০ সেকেন্ডে একটি করে ভোট পড়েছে। যা ব্রিটেন কিংবা অন্য কোন গণতান্ত্রিক দেশে ১৯৭৭ সালে কল্পনাও করা যেত না! সেদিন আধুনিক গণতন্ত্রের জনক জন লকের আত্না হু হু করে কেঁদে উঠে বলেছিল “আতা গাছে তোতা পাখি, ডালিম গাছে ডাব”। আহা গণতন্ত্রের নমুনা!

মির্জা ফখরুল সাহেব বলেননি কীভাবে কোন গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় বিনা বিচারে কর্নেল তাহের সহ হাজার হাজার সেনা অফিসারকে হত্যা করা হয়েছিল জিয়াউর রহমানের শাসনামলে। বিএনপি নেতা মওদুদ আহমেদ তার বইয়ে লিখেছেন জিয়াউর রহমানের সময় মোট ২০ থেকে ২১ বার সেনাবাহিনীতে বিদ্রোহ সংগঠিত হয়। এসব বিদ্রোহে প্রায় ২ হাজার সেনা সদস্যকে ফাঁসি দেওয়া হয়। শুধু বিমান বাহিনীতেই ৫৬১ জনকে ফাঁসি দেওয়া হয়। এতো এতো সেনা কর্মকর্তা এবং অফিসারদের হত্যা করে ফখরুল সাহেব এখন নির্বাচনের পূর্বে সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা প্রদানের কথা বলেন! একেই বলে “গরু মেরে জুতা দান”!

মির্জা ফখরুল সাহেব বলেছেন এই সরকার নাকি তরুণদের মূল্যায়ন করে না। উনারা তরুণদের খুব মূল্যায়ন করতেন তাই ৫ বছর যখন ক্ষমতায় ছিলেন তখন মাত্র একটা বিসিএস দিয়েছেন। সেই বিসিএস পরীক্ষায় বগুড়া আজিজুল হক ডিগ্রী কলেজ থেকে ৩৫ জন ছাত্রদল নেতা ক্যাডার হয়েছে!

অপরদিকে এই সরকার ১০ বছরে ৯ টা বিসিএস দিয়েছে কোন ধরণের হস্তক্ষেপ ছাড়া। যারা যোগ্য তারাই সকল ক্ষেত্রে প্রথম শ্রেণির চাকরি পেয়েছে কোন ধরণের লবিং ছাড়া। আর যাদের প্রিলি, রিটেন পাস করার যোগ্যতা নাই তাদের কথা শুনে তো আর লাভ নাই, যোগ্যতা না থাকলে চাকরি দেবে কে?

ফখরুল সাহেব আপনি নিজেই বলুন কে তরুণ বান্ধব! যারা ১০ বছরে ৯ টা বিসিএস পরীক্ষা দেয়, না যারা অনিয়ম করে বগুড়া আজিজুল হক ডিগ্রী কলেজ থেকে ছাত্রদল নেতাদের বাছাই করে বিসিএস ক্যাডার হিসেবে নিয়োগ দেয়! সত্যি মির্জা আব্বাস কী বিচিত্র এই গাব গাছ!

তরুণরা এই সরকারের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, উচ্চ গতির ইন্টারনেট ব্যবহার করে এখন শহর-গ্রাম-বন্দরে গড়ে তুলেছে পাঠাও, সহজ, টেন মিনিটস স্কুল, চাল-ডাল ডট কমের মত অসংখ্য স্টার্ট আপ। যেখানে কর্মসংস্থান হয়েছে হাজার হাজার বেকার যুবক-যুবতীর।

আউটসোর্সিং, ফ্রিলেন্সিং এখন পেশা হিসেবে নিয়েছে লক্ষ লক্ষ যুবক-যুবতী। আর সে কারণেই আন্দোলন জমাতে পারছেন না ফখরুল সাহেবরা। মানুষ এখন ঘরে বসেই আয়-রোজগার করছে, চা বিড়ি আর বিরিয়ানির লোভে কেউ মিছিল মিটিংয়ের নামে আন্দোলনে অংশ নিতে ইচ্ছুক না। এখন ঘরে বসেই অনলাইনে বিরিয়ানি অর্ডার করে মানুষ নাকে তেল দিয়ে ঘুমায়। কেউ এখন তাই রাজপথে নামতে চায় না। সব আন্দোলন ফেসবুক-ব্লগ-ইউটিউব-টুইটারেই হয়।

সাম্প্রতিক সময়ে যে দুটো আন্দোলন হয়েছে সেই দুটো আন্দোলনও ছিল মোটামুটি অরাজনৈতিক। দুটো দাবিই পুরোপুরি মেনে নিয়েছে সরকার। দুটো আন্দোলনই ছিল তরুণ প্রজন্মের নিজস্ব দাবিদাওয়া বিষয়ক। কাউকে জেলের তালা ভেঙ্গে মুক্ত করার আন্দোলন না! এই যে সোশ্যাল ডিনামিক্সের বিরাট পরিবর্তন ঘটে গেছে এটা ফখরুল সাহেবরা ধরতে পারে নাই! কারণ তারা জানে না আউটসোর্সিং কী, ফ্রিলেন্সিং কী, স্টার্ট আপ কী, থ্রি-জী, ফোর-জী, সাবমেরিন কেবল কী জিনিস?

মনের অজান্তে ফখরুল সাহেবরা আজকের দিনে পরিবর্তিত সোশ্যাল ডিনামিক্সের সাথে মিশে গেছে। লন্ডন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তারেক রহমান বিএনপির নমিনেশন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নিয়েছে। এই সরকার শুধু তরুণ বান্ধবই না, একইসাথে বিরোধীদল বান্ধব! সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ না করলে লন্ডন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের সাহায্যে তারেক রহমান সাক্ষাৎকার নিতে পারতেন না!

ফখরুল সাহেব তার ভিডিও প্রচারণায় বলেছেন এই আলোটা যাতে নিভে না যায়, আলোটা আপনারা ছড়িয়ে দিন। ফখরুল সাহেব বলেননি সেটা কীসের আলো? পূর্ণিমার আলো! ১৩ বছরের ধর্ষিতা পূর্ণিমা শীলের আলো!

২০০১ সালে নির্বাচনের পর অসংখ্য পূর্ণিমা শীলকে ধর্ষণ করা হয়েছিল ফখরুল সাহেবদের নির্দেশে! পূর্ণিমা শীলের মা বলেছিল বাবারা তোমরা একজন একজন করে আসো আমার মেয়েটা ছোট!

ফখরুল সাহেব কী সেই পূর্ণিমার মত আরও ধর্ষণের আলো ছড়িয়ে দিতে বলেছেন? বিরোধী দলের নেত্রীর উপর আর্জেস গ্রেনেডের আলো? কানসাট, যাত্রাবাড়ি, ফুলবাড়িয়াতে সার-বিদ্যুৎ-পানির দাবিতে কৃষক-শ্রমিক-আমজনতার বুকে বুলেটের আলো ছড়িয়ে দিতে চাইছেন? উত্তর জানাটা জরুরি!

সর্বোপরি তিনি বলেছেন আপনারা খুব সকাল সকাল ভোট কেন্দ্রে গিয়ে আপনার পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে আসবেন। আমিও তাই বলি “আমার ভোট আমি দেবো যাকে খুশি তাঁকে দেবো”। খুবই প্রাচীন একটা কথা। কিন্তু......

দুই বছর আগে ফ্রান্সের নির্বাচন হয়। ফ্রান্সের মানুষ ৩৯ বছর বয়সী ইমানুয়েল মাখোকে তৃতীয় নেপোলিয়ান আখ্যা দিয়ে বিপুল ভোটে জয়ী করে। এই মুহুর্তে সেই জনগণই মাখোর পদত্যাগ দাবি করে ইয়োলো ভেস্ট পরে বিক্ষোভ করছে!

আধুনিক গণতন্ত্রের সূতিকাগার ব্রিটেনের মানুষ কিছুদিন আগে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ত্যাগ করার পক্ষে গণভোট দেয় যা ব্রেক্সিট নামে পরিচিত। সেই তারা এখন আবার কান্নাকাটি করছে গণভোটের ফলাফল বাতিল করে নতুন করে গনভোট আয়োজনের জন্য। ভোটাধিকার সঠিকভাবে প্রয়োগ না করার কুফল আবারও প্রমাণিত।

এ সবই হচ্ছে যাকে খুশি তাকে ভোট দেওয়ার কুফল। আপনার ভোট আপনি দেবেন যাকে খুশি তাকে নয়, বুঝে-শুনে-দেখে দেবেন। তা না হলে ব্রিটেন, ফ্রান্সের মত অবস্থা হতে বাধ্য। কথায় বলে তোমারে বধিবে যে গোকূলে বাড়িছে সে। আপনার দেওয়া ভোট যেন আপনাকে বধ না করে।

যারা ক্ষমতা থাকাকালীন সময়ে ১ কোটি ২০ লাখ ভুয়া ভোটারের তালিকা তৈরি করে তরুণদের ভোটাধিকার হরণের চেষ্টা করেছে, আর ক্ষমতায় যাওয়ার পূর্বে মার্কিন কংগ্রেসম্যানের সই জাল করে বিবৃতি প্রদান করে, জাতিসংঘ মহাসচিবের সাথে সাক্ষাৎতের বানোয়াট গল্প ছড়ায় তারা যে আপনাদেরকে মিষ্টি মধুর কথার ফুলঝুরি সাজিয়ে আবারও প্রতারণা করবে না, গ্রেনেড হামলা করবে না, পানি-বিদ্যুৎ-সারের দাবিতে গুলি চালাবে না, দুর্নীতিতে টানা ৫ বার চ্যাম্প্যিয়ন হবে না, তার কী গ্যারান্টি আছে?

কয়লা ধুলে কী ময়লা যায়? অভাবে স্বভাব নষ্ট! ন্যাড়া বেল তলায় কিন্তু একবারই যায়...

প্লিজ আলোটা নিভতে দেবেন না। এই আলো নিভে গেলে বাংলাদেশ হবে পাকিস্তান। স্বয়ং ইমরান খানও আজ স্বীকার করে বাংলাদেশের অবস্থানে পৌঁছাতে পাকিস্তানের আরও ১০/১২ বছর লাগবে।

পাকিস্তানের টকশো তে তাদের বুদ্ধিজীবীরা যখন আহাজারি করে বলে "খোদা ওয়াস্তে হাম বাংলাদেশ বানা দো" তখন আপনি কেন যারা পাকিস্তানী চেতনায় বিশ্বাস করে তাদের ভোট দিয়ে নিজের দেশকে পাকিস্তানের চেয়ে ১০০ বছর পিছিয়ে দেবেন....

 


অনলাইন নিউজ পোর্টাল
অনলাইন নিউজ পোর্টাল
এই বিভাগের আরো খবর