ব্রেকিং:
গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে ৫৯৩৩ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত হয়েছেন ৩৭৯৭২৯ জন ৫জি’র যুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ২৪ ঘন্টায় ২২১ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় গুলাব, ভারী বৃষ্টির শঙ্কা আগামী সোমবার আসবে ২৫ লাখ ডোজ ফাইজারের টিকা

সোমবার   ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১,   আশ্বিন ১২ ১৪২৮,   ১৮ সফর ১৪৪৩

সর্বশেষ:
কুয়াকাটায় নির্দিষ্ট বাস টার্মিনাল না থাকায়, চরম যানজটে পর্যটকরা ইসরাইলি বাহিনীর গুলিতে ৪ ফিলিস্তিনি নিহত বগুড়ায় জিলা স্কুলের দশম শ্রেণির ২ শিক্ষার্থীর করোনা স্বাস্থ্যমন্ত্রী : আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে গণটিকা প্রদান শুরু গোয়েন্দা নজরদারিতে রয়েছে ডজনখানেক ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান দেশের সকল সিঙ্গেল রেল লাইনকে পর্যায়ক্রমে ডাবল করা হচ্ছে ডিএসই’র লেনদেনে শীর্ষে রয়েছে বেক্সিমকো বাণিজ্যিক উন্নয়নে প্রবাসীদের সহযোগিতা চাইলো এফবিসিসিআই আসামে মুসলিম নিধন নিয়ে পাকিস্তানের প্রতিবাদ বিমানবন্দরে করোনা পরীক্ষার ল্যাব প্রস্তুত জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে মুগ্ধ মার্কিন রাষ্ট্রদূত
৫৮

এই দশকেই তাপমাত্রা দেড় ডিগ্রি বৃদ্ধির আশঙ্কা

প্রকাশিত: ১০ আগস্ট ২০২১  

জলবায়ুর পরিবর্তন সংক্রান্ত আন্তঃসরকার কমিটি বা আইপিসিসি'র এক রিপোর্টে বলা হয় জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে আশঙ্কা  জাতিসংঘ কে সতর্ক থাকতে হবে । সংস্থাটি বলছে, বিশ্বের তাপমাত্রা এই দশকেই দেড় ডিগ্রি বৃদ্ধি পাবে, পালানোর জায়গা নেই। বেশ কয়েক বছর ধরে সতর্ক করার পর এবার জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে এমনই সতর্কতা দিয়েছে জাতিসংঘ।

পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে এখন যে চরম তাপপ্রবাহ, প্রচণ্ড ভারী বৃষ্টিপাত, খরা বা সাইক্লোন হতে দেখা যাচ্ছে-তাতে জলবায়ুর এই পরিবর্তন স্পষ্ট ফুটে উঠেছে। এজন্য নিঃসন্দেহে দায়ী মানুষের কর্মকাণ্ড। এদিকে ১৯৫টি সদস্য দেশের সঙ্গে বৈঠকে গত সোমবার আইপিসিসি-র রিপোর্টটি জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস পেশ করে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এপি। রিপোর্ট এর কো-অথর লিন্ডা মার্নস বলেছেন, 'কোথাও পালানোর জায়গা নেই, লুকানোরও জায়গা নেই'।

২০০৮ সালে বিজ্ঞানীরা যা আঁচ করেছিলেন, তার চেয়ে এক দশক আগেই বৈশ্বিক উষ্ণায়ন বিপজ্জনক জায়গায় পৌঁছতে পারে। ২০৩০ সালের মধ্যে গোটা বিশ্বের সার্বিক তাপমাত্রা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পাবে। বিশ্ব উষ্ণায়নের জেরে ১৯০১ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত সমুদ্রের পানির স্তর যেখানে প্রতি বছর ১.৩ মিলিমিটার করে বাড়ছিল, ২০০৭ থেকে ২০১৮ সালে তা বছরে ৩.৭ মিলিমিটারে গিয়ে ঠেকেছে। সামগ্রিকভাবে ১৯০১ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত গোটা বিশ্বে পানির স্তরের গড় বৃদ্ধি ছিল ০.২০ মিটার।
 
তবে বিশ্ব উষ্ণায়নের জন্য মনুষ্যসৃষ্ট কারণগুলোর উপরই জোর দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। তাদের দাবি, শহর এলাকাগুলোই উষ্ণায়নের মূল কেন্দ্র হয়ে দাঁড়িয়েছে। লাগাতার তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে উষ্ণ বাতাস সেখানে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে, যা শীতল হতে দীর্ঘ সময় লাগে। এই একই কারণে নদী, হ্রদ, জলাধার তো বটেই, গাছগাছালিতে ঘেরা সবুজ এলাকাগুলোতেও উষ্ণতা দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে।

 প্রতি ১০ বছরে এক বার বা প্রতি ৫০ বছরে এক বার যে তীব্র বন্যা, খরা হয়, আগামী দিনে তা আরও ঘন ঘন দেখা দেবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিজ্ঞানীরা। যে সব জায়গায় এই ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ সচরাচর চোখে পড়ে না, সেগুলোও বাদ যাবে না বলে জানিয়েছেন তারা। এমনকি একই জায়গায়, একই সময়ে তাপপ্রবাহ এবং খরা একই সঙ্গে দেখা দিলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না বলে মত তাদের।


এই বিভাগের আরো খবর